Friday, March 2, 2012

খুচরো আনন্দ

কতগুলো দারুণ মজাদার কিন্তু অর্থহীন কাজ আছে যেগুলো বেশিরভাগ ছোটবেলায় করতাম। এইগুলো হল খুচরো আনন্দের কাজ। বড় মানুষের জন্য মোটামুটি এগুলো সবগুলোই পাগলামীর পর্যায়ে পড়ে.. তবে আনন্দ তো আনন্দই।

১.ট্যালকাম পাউডার ম্যানিয়া:

ট্যালকাম পাউডার ফ্লোরে ছিটিয়ে তাতে অন্তত একবার পিছলা খায়নি এরকম বাচ্চা মনে হয় পাওয়া কঠিন। আমার মনে পড়ে আমরা ভাইবোনেরা ফ্লোরে পাউডার ছিটিয়ে মোজা পরে 'পিছলা-পিছলি' খেলতাম।

যেকোনো পারফিউমড জিনিসই হল স্বপ্নময়..dreamy....আহ....সুঘ্রাণ.... উমম... (আল্লাহই জানে যারা পড়তেসে তারা কী ভাবতেসে আমার মস্তিষ্কের স্বাস্থ সম্পর্কে:-|)। তার মধ্যে আবার ট্যালকাম পাউডার একটু বেশি ভালো লাগে। এজন্য হয়ত পিছলা-পিছলা খেলাটা আমার এখনো খেলতে ভালো লাগে।
মাঝে মইধ্যে গোফনে গোফনে খেলাই... কেডাউ জানে না যাতে... সেইরকম সাবধানে.... :D

Tuesday, January 24, 2012

দিন-বণিক: স্টল নাম্বার ১৩২

আজকের হাওয়াটা ভালো আছে।
বেশ একটু রোদ উঠেছে।
এরকম ওয়েদারে নানাবাড়ি ঘুরতে যেতে মন চায়।
স্কুলের ডিসেম্বরের ছুটির কথা মনে হয়।

এরকম সময়ে পাবনায় যেতাম। আর খেলতাম ব্যাডমিন্টন। আহ! ছাদে পিকনিক করাও একটা মজা ছিল। ছোট্ট মাটির চুলায় রান্না। এক একজনের মাথার উস্কোখুস্কো চুল বাতাসে উড়ছে, মা-খালারা ক্রমাগত বকাবকি করছে  পালা করে, কিন্তু পাত্তা দেয় কে! রান্না শেষে মামা সুন্দর করে এসে বলত, 'কি রে, তোরা কি একাই খাচ্ছিস নাকি? আমাদেরকে দিবি না?' শেষে নানাজীকে একটা বাটিতে করে একটু, মামাদেরকে, পিচ্চিরা আর আমরা.... কিন্তু কিভাবে যেন সবারই হয়ে যেত!

আহ! ভাবতে একটা কষ্ট কষ্ট ফিলিংস হয়। এখন আর নানী নাই। রান্নাঘরে সারাক্ষণ ভাত ফুটতে থাকে না। অদ্ভুত পাবনার ভাষায় বকাবাজি করারও কেউ নাই। সেই নিচতলা থেকে চাপকলের পানি টেনে উঠাতে হয় না। টানা লম্বা বারান্দাটাও নাই। সব মামাদের জন্য আলাদা আলাদা রান্নাঘর, আলাদা বারান্দা। বাড়িটাতে পা রেখেই মনের আনন্দটা চট করে নিভে যায়।

হয়ত এটা মানুষের মনের অদ্ভুত কোন ব্যাপার। ঐ বাড়িটার সাথে শৈশবের আনন্দগুলো জড়িয়ে গেছে। যদিও এখন আর বাড়িটাও আগের মত নেই, তার বাসিন্দারাও বদলেছে, তবু ঢাকার দমবন্ধ পরিবেশে থাকতে থাকতে যখন হাঁপিয়ে উঠি, তখন মনটা দৌড় মারে ঐদিকে। ঢাকার উপর ভালবাসার সিলিং নাই। এজন্য ঢাকায় সারাজীবন কাটিয়েও ঢাকার উপর টান সহজে হতে চায় না।
শুধু মনে হয় ঐখানটাতে সুখ রাখা আছে।
বস্তা বস্তা সুখ.........

Sunday, December 25, 2011

কাভি কাভি মেরে দিল মে... খায়াল আ'তা হ্যায়.........

আজকে একটু ঢিসটিং ঢিসটিং মুডের মধ্যে আছি।
রাতে ঘুমাই নাই। মুভি দেখসি। দেখা মুভি। আগে দেখসিলাম। পরে কেন জানি মুভিটা কালেকশানে রাখার মত মনে হয় নাই (যদিও মুভিটা ভালো লাগসিলো)। কেমন যেন একটা বিরক্তি কাজ করেছিল মুভিটার উপর। আবার কথা নাই বার্তা নাই, বছর দুই-তিন পরে মনে হল -'আসলে মুভিটা ভালো'। কালেকশানে রাখা উচিত। তাই ভার্সিিটর লাইব্রেরীর ইন্টারনেটের সদ্ব্যবহার করে মুভিটা নামালাম। এইবার দেখার পর অনেক ভালো লাগল। আসলে তখন আমি মুভিটা ঠিক মতন বুঝিই নাই, এখন মনে হল।

অবশ্য এইসব কথার পিছনের একটা কথা আছে, যেটা বললে তামাশার পাত্রও হয়ে যেতে পারি (নেভার মাইন্ড, আই'ল রিস্ক দ্যাট!) আসলে ইদানিং... কেবল ইদানিং না আসলে বেশ কিছুদিন ধরেই আমার মনে হচ্ছে আমাদের দৃষ্টির বাইরের জগতটার প্রতি নজর দেয়াটা আসলে ....... ইন্টারেস্টিং। স্পিরিচুয়ালিটি মানুষের একটা built in ব্যাপার। যেমন মাঝে মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ স্বপ্ন দেখা,অদ্ভূত কিছুর উপস্থিতি অনুভব করা.... বা....... (যারাই লেখাটা পড়তেসে, ভাবতেসে "মেয়েটা পুরোই cracked") অদৃশ্য হাতের কারসাজি টের পাওয়া........

মাত্র গতকালই আব্বু বলছিল একটা গল্প। আসলে গল্প না, কিছুটা দার্শনিক একটা ব্যাপার। কথাগুলো শুনতে শুনতে আমার  হঠাৎ মনে হল একজন লেখক যখন লেখে তার লেখাগুলো ঠিক কোথা থেকে আসে? তার তৈরি চরিত্রগুলো? কিংবা সেইসব চরিত্রের কথাবার্তা, চিন্তা, কাজকর্ম?
লেখক একটা প্যারালেল জগত তৈরি করে। তার মাথার ভিতর। সেখানে তার তৈরি চরিত্রগুলো সবসময় তার কথামত চলে না। আমার লেখালেখির খুব বেশি অভ্যাস নেই। যেটুকু আছে, তাতেই অনেকসময় একটা লেখা শুরু করার পর সবসময় সেটার লাগাম আমার হাতে থাকে না....... এটা কী যারাই লেখার চেষ্টা করে, তাদেরই ঘটে? না কেবল আমিই ক্লু-লেস?

(কী ছাতামাথা ল্যাখতেসি!)
I am finally cracked.
হইলামই না হয় :-|

আমার মনে হয় এখন পাবলিকলি বলায় দোষ নেই। খুব ছোটবেলায় একবার আমি যা স্বপ্ন দেখেছিলাম, অলমোস্ট তা-ই ফলে গিয়েছিল। এই একবারটা famous, কিন্তু এর বাইরেও কিছু ঘটনা আছে যেগুলো স্বপ্ন না... তারও বেশি কিছু।
কেবল আমার না, আমি নিশ্চিত এরকম অভিজ্ঞতা বা ঘটনা কমবেশি সবারই কিছু না কিছু জানা আছে।


আমার খুব আগ্রহ হয় এরকম কোন মানুষকে কাছে থেকে জানার, যার কোন বিশেষ আধ্যাত্মিক ক্ষমতা আছে। এরকম বহু লোক আছে যারা এইসব দাবী করে... দাবী তো কতজনই করে। কিন্তু হয়ত হাজার বা লাখে এমন এক-দু'জন আছে। আমার ইচ্ছা এরকম কারো কাছ থেকে কিছু জানি। এই ইচ্ছাটা সম্ভবত একধরনের অপূর্ণতাবোধ থেকে আসে। psychology বিষয়ক একটা বইতে পড়লাম, spirituality তে বিশ্বাস বা 'আমি আমার ধরা ছোঁয়ার জগতের বাইরের কিছু করতে পারি বা জানতে পারি'- এই বিশ্বাস অনেকটা মানুষের মৌলিক একটা বৈশিষ্টের পর্যায়ে পড়ে।

কিন্তু আমি কেবল চোখ খুলেই দেখতে পাই (সে তো রাম-শ্যাম-যদু-মধুও পায়), চোখ বুঁজে কিছু দেখি না। আমি কখনো স্বপ্নে বা জাগরণে কোন ইঙ্গিত পাই না (মানে খোদা আমাকে কোন ইঙ্গিত দেন না, আমার কোন গুরুত্ব তার কাছে নাই),  একটা মৃত মানুষের আত্মা বা জ্বীন বা পরী আমাকে দেখা দেয় না, কিংবা আমার ইন্ট্যুইশান বা সিক্সথ সেন্স একটাও নাই (মানে আমি মানুষের মধ্যেও কিছুটা পশু স্তরে পড়ি) .... এই চিন্তাগুলো মাঝে মাঝে খোঁচায়। কেবল এ জগতের বাইরের জগতে বিশ্বাস করাটাই তখন enough মনে হয় না। মন চায় আরো কিছু বেশি বিশ্বাস করতে। মন চায়... যেমন আমার মন চেয়েছিল (আমার দেখা দু:স্বপ্নটা বাস্তবে ফলে যাবার পর) আবার কেন আমি কোন একটা কিছু স্বপ্নে দেখি না? যদিও সেটা দুর্ঘটনা, যতই সেটা খারাপ হোক, ভবিষ্যতে আমার মন উঁকি মারতে পারে - চিন্তাটা মারাত্মক flattering!

এজন্য জ্বীন-ভূত বিষয়ক সত্য বা কখনো মিথ্যা ঘটনাগুলো শুনে মনে হয় যাহ... শা... লা...... আমার কেন এমন কোন অভিজ্ঞতা নাই? যদিও চিন্তাটা insane.......
তারপরও......
মনে হয় একটা দুইটা এমন অভিজ্ঞতা খারাপ না। ট্রেন নাহয় একদিন লাইন ছেড়ে ঘাসের মাঠেই চলে দেখুক, এই ট্রেনের তো একা আমিই যাত্রী। আর কারো ক্ষতির আশঙ্কা নাই।
খেয়াল.... উদ্ভট খেয়াল.......... তাও খেয়ালটা খুব পেয়ে বসেছে। মানুষের ভয় পেয়ে আত্মা শুকিয়ে যাবার অভিজ্ঞতা হয় শুনি। কারো কারো রাতের বেলা উড়ন্ত পর্দা দেখেই আত্মা দৌড় মারে....... আহা... কী ইমাজিনেটিভ পাওয়ার!আমার নাই। আফসোস। ইংরেজিতে একটা কী টার্ম আছে না অন্যের জুতা পায় দিয়ে হাঁটা। এইটারও শখ জাগে.......

আমার ছোটবোন বলল, কারো কথা বেশি মনোযোগ দিয়ে শুনলে নাকি একসময় দেখা যায় তার মাথা বড় ছোট হচ্ছে.... এরকম অদ্ভূত ব্যাপার আমি জীবনে শুনি নাই। বড়াপুর তো ছোটবেলা থেকেই দেখছি অসীম কল্পনা শক্তি এবং অসীম ভয় পাবার ক্ষমতা। আমার নাই। বড়াপু বলেছিল একবার , মানুষের দিকে তাকায় থাকতে থাকতে নাকি সে দেখতে পেত তার মুখ-চোখ খসে খুলি-কঙ্কাল বের হয়ে পড়ল.... (হাহাহা... ভাগ্যিস বড়াপু ব্লগিং করে না, যদি দেখত তার রেপুটেশানের বারোটা বাজাচ্ছি) আমি সারা জীবন তাকিয়ে থাকলেও মনে হয় 'মুখে তিল আছে' এর বেশি দেখতে পাব না...
জীবনে এমনকি একবার সেন্সলেস হবারও অভিজ্ঞতা হল না :-|
এই জাতীয় ছোট জিনিসই experience করা হল না... আর জ্বীন-পরী ... থাক ওসব তো ঐদুনিয়ার কথা... যুদ্ধ-বিগ্রহ, প্রেম-বিরহ,  খ্যাতি-কুখ্যাতি, বিশাল বড়লোকী-ভয়াবহ গরিবিয়ানা............ এইসব তো থাকল দূরের কথা।

খেয়াল জাগতেসে....
একটু অভিজ্ঞতা হলে মন্দ হত না....
হয় না ক্যান?

জীবনটা আরো অ্যাডভেঞ্চারাস হইলে ভালো হইত...

ধুউউশ.......


Thursday, December 22, 2011

অক্টোবরের ডায়রি

[ বহুদিন আগের লেখা এইটা। ২০০৯ এর অক্টোবরে। সামহয়্যারইন ব্লগে আমার ড্রাফট সেকশনটাতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে গিয়ে বের হল লেখাটা। মনে পড়ে একবার পাবলিশ করেছিলাম লেখাটা... পরে আবার ড্রাফট করে ফেলেছিলাম।

আব্দুল মান্নান সৈয়দ নাকি একবার বলেছিলেন, যে লেখাটা একবার লেখা হয়ে গেছে, সেটা হল একটা বাচ্চার মত। ভালো হোক, মন্দ হোক; এখন তার যত্ন করতে হবে।

এই লেখাটা আজকে ড্রাফট থেকে বের করার পিছনে এই চিন্তাটাও একটা ইনফ্লুয়েন্স।

আরেকবার চোখ বুলালাম। প্রথম কথাটা সত্য হয়েছে এতদিনে। 'শোক মন্দীভূত' হয়েছে। মানে... হয়ত হয়েছে। ঠিক ঠাক জানি না। দৃশ্যত মনে হচ্ছে লেখাটা এখন আমার ব্লগে টাঙানো থাকলেও আমি খুব একটা অস্বস্তিতে পড়ব না। যখন লিখেছিলাম তখন এই অবস্থাটা ছিল না। আর্দ্র মন থেকে যে লেখা আসে সেটা খুব স্পর্শকাতর হয়।

এখন হয়ত খরাকাল চলছে। তাই পোস্ট করে ফেললাম। থাকুক নাহয় আমার ব্লগেই লেখাটা।

একটা কথা আমি সারা জীবন মেনে এসেছি-

কালকের অনুভূতি আজকের আলোয় খুব ঠুনকো মনে হতে পারে.....

কিন্তু কালকের অনুভূতি কালকের জন্য সত্য।

যেহেতু কাল সত্য ছিল।

আজও সত্য।

কিছুটা হলেও সত্য। ]


............................................

Friday, October 7, 2011

সাবান-বিস্কুট এবং জলরঙাতঙ্ক

এমনিতে বিস্কুট খাই না। ভালো লাগে না মোটেও। কিন্তু আজকে প্যাকেটের উপর 'প্রবঞ্চনাকারী' পিকচার দেখে হঠাৎ আধখানা বিস্কুট (আস্ত একটাই উঠাতে চেয়েছিলাম, কিন্তু বিস্কুটটা তার বেটার হাফের সাথে আগেই ডিভোর্স নিয়ে রেখেছিল সেটা টের পাই নাই:|) হাতে তুলে নিলাম।

Sunday, September 11, 2011

আবজাব দিনলিপি

অদ্ভুত অদ্ভুত কতগুলো কাজ করতে মন চাচ্ছে ইদানিং।
১, মন চাচ্ছে লিখতে। অথচ লেখা আসছে না। রাইটার হবার নামগন্ধ না থাকতেই রাইটার'স ব্লক... হা হা...
২.বাইরে কোথাও ঘুরতে যেতে ইচ্ছা করছে, আবার করছে না। ইচ্ছা করছে একটু কোথাও গিয়ে ঘুরে আসি। শেষ বিকেলের হালকা রোদে...।
আশ্চর্য! আমি অনেকদিন কোথাও যাই না।
অথচ আগে কোথাও যাবার ন্যুনতম সুযোগ পেলেই লাফালাফি শুরু করে দিতাম।
আর ছিল দুপুর রোদে ঘোরা। আমার 'মোটামুটি রূপসচেতন' বান্ধবীও আমার পাল্লায় পড়ে শেষমেষ খটখটে দুপুর রোদে চন্দ্রিমা উদ্যানে গিয়ে বসে আমার সাথে অলস আড্ডা দিত আর মানুষ দেখে বিশ্লেষণ করত।
সেইসব দিন কোথায় গেছে জানি না....
এখন রোদে বসার কথা চিন্তা করলেই মাথা ধরে যায়। সামান্য রোদ মাথায় পড়লেই বাসায় এসে ফ্ল্যাট হয়ে পড়ে যাই। রৌদ্রবিলাসের দিন আর নাই :(..........

৩.কয়েকদিন ধরে আরেকটা বাচ্চা-টাইপ ইচ্ছা ঘুরছে মাথায়.... 'টেস্টি হজমী খেতে হবে'.... :D
এই কথা শুনে হাসলে দশ টাকা জরিমানা।
আমি কিন্তু হাসির কথা বলতেসি না।
টেস্টি হজমী খেতে মন চাচ্ছে অথচ খেতে পারছি না..... কী বেদনাদায়ক ব্যাপার!

৪.সবাইকে খুব গিফট করতে মন চাচ্ছে। কাকে কী গিফট করলে সে খুব খুশি হয় এইসব ভেবে আর চোখ বুঁজে কল্পনা করেই একটা অদ্ভুত আনন্দ হচ্ছে।
এমনিতে আমি বেশ কিপ্টা স্বভাবের মানুষ। সহজে টাকা খরচ করি না। কিন্তু মাঝে মধ্যে ইচ্ছা করে চোখ বন্ধ করে টাকা খরচ করি। কিন্তু করি না। :(
টাকা জমানোর মধ্যে যেমন আনন্দ আছে, তেমন খরচ করার মধ্যেও আনন্দ আছে.......

৫.ফোটোগ্রাফি করতে মন চাচ্ছে.....
কিন্তু
ক্যামেরা নাই।
:-|
'নাই' এর উপর তো আর কথা নাই।

৬.খুব ছবি আঁকতে মন চায় আজকাল।কিন্তু আঁকতে গিয়ে দেখি ধৈর্য থাকছে না। ছবি আঁকার ক্ষেত্রে ধৈর্য সমস্যা আগে ছিল না। কিন্তু আজকাল হচ্ছে।
আর সমস্যা হচ্ছে, পেন্সিলে আঁকতে মন চায় না। ওয়াটার কালার চেষ্টা করে ছাড়ান দিয়েছি....
এখন ইচ্ছা হচ্ছে অয়েলে ছবি আঁকতে। কিন্তু অয়েলে আঁকা এত ডাল-তরকারী লেভেলের সস্তা কাজ না...
কঠিন আছে।
আসলে ডাল-তরকারী রান্না করাও সোজা কাজ না।
কোন কাজই সুন্দরভাবে করা সহজ না।

৭. টিভি সিরিয়াল Merlin এর নিয়মিত দর্শক আমাদের বাসার সবাই। 4th season  রিলিজ হবে অক্টোবরে। কিন্তু এখনই দেখতে মন চাচ্ছে।
..............................................
আর কিছু কি লেখার আছে?
হয়ত আছে....
হয়ত নাই...

Tuesday, September 6, 2011

একটা কিছু লিখতে তো হবে!

লিখতে বসলেও কোন লেখা আসে না। কি নিয়ে লেখা যায় ভাবি, কিন্তু কোন কূল কিনারা পাই না। ভাগ্যিস আমি প্রফেসনাল লেখক না! হলে সমস্যা হয়ে যেত।
আমাদের বাসার পিছনের বস্তিটায় সারাদিন গান-সিনেমা ইত্যাদি চলতেই থাকে। সকাল পাঁচটার দিকে স্টার্ট নেয়। আর থামে রাত একটার দিকে। লোকটা রিকশা চালায়, তার দুই বউ (লেখাপড়া করে, চাকরি নিয়ে,লাখ টাকা কামাই করেও ছেলেরা একটা বিয়ে করতেই সাহস করে না, আর এই লোক দু'টো বিয়ে করে বসে আছে! guts আছে বলা উচিত, নাকি ঘিলু নাই বলা উচিত- আমার জানা নাই...)। এই লোক মাইজ ভান্ডারীর ভক্ত। ভক্তিমূলক গান শুনে সে আমাদের এই রমজানটাকে রীতিমতো দুর্বিষহ করে তুলেছিল। সেহরিরর পর থেকে গভীর রাত পযর্ন্ত আমাদেরকে বাধ্য হয়ে ভান্ডারীর নামজপ শুনতে হত। এখন 'দিও নাকো বাসর ঘরের বাত্তি নিভাইয়া..' জাতীয় গান এবং নায়ক নায়িকাদের নাকি কান্নার সাথে ভিলেনের মু-হা-হা হাসির একটা জগাখিচুড়ি কম্বিনেশন শুনতে হচ্ছে।
মানুষটা আমি খুব মহৎ না... সত্যি বলতেই এই লোকের জন্য মাঝে মধ্যেই বদ দোয়া করেছি যাতে