Wednesday, May 29, 2013
অ্যাহ মেয়েরা, চুপ ক্যারা.....
আমাদের নিরঞ্জন স্যার, স্কুলের অংক স্যারের কথা হঠাৎ খুব মনে পড়ছে। স্যার বেশ কিছুটা অদ্ভুত ছিলেন, এই হিসেবে যে স্যারের কোনই বিশেষত্ব ছিল না, অংক করতে পারা ছাড়া।
স্যারের ক্লাসে আমার কাজই ছিল গল্প করা। ক্লাসটা হত খুবই বোরিং, স্যার এসে ঢুকতেন, চক হাতে নিতেন,বোর্ডে যেতেন এবং কোন ভুমিকা ছাড়াই অংক করানো শুরু করে দিতেন। আমি একহাতে স্যারের অংক তুলতাম, অন্যহাতে ফ্রেন্ডের সাথে খোঁচাখুঁচি করতাম আর মুখ দিয়ে সমানে কথা বলে যেতাম। যখন বেশি কথার শব্দ হত,স্যার হঠাৎ হঠাৎ পিছন ফিরে একটা হাঁক দিতেন,'অ্যাহ মেয়েরা,চুপ ক্যারা....'
Saturday, September 1, 2012
কিছুটা আড়াল এখন প্রয়োজন
[ইহা গদ্য লেখা
কিন্তু ইচ্ছা করেই পদ্য-পদ্য চেহারা দিলাম]
............................
চেঁচামেচি গান শুনি আর ব্লগ লিখি,
মাথার মধ্যে শর্ট সার্কিটও পুরানো হয়ে গেছে,
মাঝে মাঝে একটা দুইটা লাইন চলে আসে মাথায়;
আবার বারান্দার গ্রীল গলে আকাশে পালায়..
কিন্তু ইচ্ছা করেই পদ্য-পদ্য চেহারা দিলাম]
............................
চেঁচামেচি গান শুনি আর ব্লগ লিখি,
মাথার মধ্যে শর্ট সার্কিটও পুরানো হয়ে গেছে,
মাঝে মাঝে একটা দুইটা লাইন চলে আসে মাথায়;
আবার বারান্দার গ্রীল গলে আকাশে পালায়..
Friday, March 2, 2012
খুচরো আনন্দ
কতগুলো দারুণ মজাদার কিন্তু অর্থহীন কাজ আছে যেগুলো বেশিরভাগ ছোটবেলায় করতাম। এইগুলো হল খুচরো আনন্দের কাজ। বড় মানুষের জন্য মোটামুটি এগুলো সবগুলোই পাগলামীর পর্যায়ে পড়ে.. তবে আনন্দ তো আনন্দই।
১.ট্যালকাম পাউডার ম্যানিয়া:
ট্যালকাম পাউডার ফ্লোরে ছিটিয়ে তাতে অন্তত একবার পিছলা খায়নি এরকম বাচ্চা মনে হয় পাওয়া কঠিন। আমার মনে পড়ে আমরা ভাইবোনেরা ফ্লোরে পাউডার ছিটিয়ে মোজা পরে 'পিছলা-পিছলি' খেলতাম।
যেকোনো পারফিউমড জিনিসই হল স্বপ্নময়..dreamy....আহ....সুঘ্রাণ.... উমম... (আল্লাহই জানে যারা পড়তেসে তারা কী ভাবতেসে আমার মস্তিষ্কের স্বাস্থ সম্পর্কে:-|)। তার মধ্যে আবার ট্যালকাম পাউডার একটু বেশি ভালো লাগে। এজন্য হয়ত পিছলা-পিছলা খেলাটা আমার এখনো খেলতে ভালো লাগে।
মাঝে মইধ্যে গোফনে গোফনে খেলাই... কেডাউ জানে না যাতে... সেইরকম সাবধানে.... :D
১.ট্যালকাম পাউডার ম্যানিয়া:
ট্যালকাম পাউডার ফ্লোরে ছিটিয়ে তাতে অন্তত একবার পিছলা খায়নি এরকম বাচ্চা মনে হয় পাওয়া কঠিন। আমার মনে পড়ে আমরা ভাইবোনেরা ফ্লোরে পাউডার ছিটিয়ে মোজা পরে 'পিছলা-পিছলি' খেলতাম।
যেকোনো পারফিউমড জিনিসই হল স্বপ্নময়..dreamy....আহ....সুঘ্রাণ.... উমম... (আল্লাহই জানে যারা পড়তেসে তারা কী ভাবতেসে আমার মস্তিষ্কের স্বাস্থ সম্পর্কে:-|)। তার মধ্যে আবার ট্যালকাম পাউডার একটু বেশি ভালো লাগে। এজন্য হয়ত পিছলা-পিছলা খেলাটা আমার এখনো খেলতে ভালো লাগে।
মাঝে মইধ্যে গোফনে গোফনে খেলাই... কেডাউ জানে না যাতে... সেইরকম সাবধানে.... :D
Labels:
confetti,
soap bubbles,
খুচরো আনন্দ,
নারকেল পাতার চশমা,
পাঁপড়ির টিপ,
সন্ধ্যামালতী
Tuesday, January 24, 2012
দিন-বণিক: স্টল নাম্বার ১৩২
আজকের হাওয়াটা ভালো আছে।
বেশ একটু রোদ উঠেছে।
এরকম ওয়েদারে নানাবাড়ি ঘুরতে যেতে মন চায়।
স্কুলের ডিসেম্বরের ছুটির কথা মনে হয়।
এরকম সময়ে পাবনায় যেতাম। আর খেলতাম ব্যাডমিন্টন। আহ! ছাদে পিকনিক করাও একটা মজা ছিল। ছোট্ট মাটির চুলায় রান্না। এক একজনের মাথার উস্কোখুস্কো চুল বাতাসে উড়ছে, মা-খালারা ক্রমাগত বকাবকি করছে পালা করে, কিন্তু পাত্তা দেয় কে! রান্না শেষে মামা সুন্দর করে এসে বলত, 'কি রে, তোরা কি একাই খাচ্ছিস নাকি? আমাদেরকে দিবি না?' শেষে নানাজীকে একটা বাটিতে করে একটু, মামাদেরকে, পিচ্চিরা আর আমরা.... কিন্তু কিভাবে যেন সবারই হয়ে যেত!
আহ! ভাবতে একটা কষ্ট কষ্ট ফিলিংস হয়। এখন আর নানী নাই। রান্নাঘরে সারাক্ষণ ভাত ফুটতে থাকে না। অদ্ভুত পাবনার ভাষায় বকাবাজি করারও কেউ নাই। সেই নিচতলা থেকে চাপকলের পানি টেনে উঠাতে হয় না। টানা লম্বা বারান্দাটাও নাই। সব মামাদের জন্য আলাদা আলাদা রান্নাঘর, আলাদা বারান্দা। বাড়িটাতে পা রেখেই মনের আনন্দটা চট করে নিভে যায়।
হয়ত এটা মানুষের মনের অদ্ভুত কোন ব্যাপার। ঐ বাড়িটার সাথে শৈশবের আনন্দগুলো জড়িয়ে গেছে। যদিও এখন আর বাড়িটাও আগের মত নেই, তার বাসিন্দারাও বদলেছে, তবু ঢাকার দমবন্ধ পরিবেশে থাকতে থাকতে যখন হাঁপিয়ে উঠি, তখন মনটা দৌড় মারে ঐদিকে। ঢাকার উপর ভালবাসার সিলিং নাই। এজন্য ঢাকায় সারাজীবন কাটিয়েও ঢাকার উপর টান সহজে হতে চায় না।
শুধু মনে হয় ঐখানটাতে সুখ রাখা আছে।
বস্তা বস্তা সুখ.........
বেশ একটু রোদ উঠেছে।
এরকম ওয়েদারে নানাবাড়ি ঘুরতে যেতে মন চায়।
স্কুলের ডিসেম্বরের ছুটির কথা মনে হয়।
এরকম সময়ে পাবনায় যেতাম। আর খেলতাম ব্যাডমিন্টন। আহ! ছাদে পিকনিক করাও একটা মজা ছিল। ছোট্ট মাটির চুলায় রান্না। এক একজনের মাথার উস্কোখুস্কো চুল বাতাসে উড়ছে, মা-খালারা ক্রমাগত বকাবকি করছে পালা করে, কিন্তু পাত্তা দেয় কে! রান্না শেষে মামা সুন্দর করে এসে বলত, 'কি রে, তোরা কি একাই খাচ্ছিস নাকি? আমাদেরকে দিবি না?' শেষে নানাজীকে একটা বাটিতে করে একটু, মামাদেরকে, পিচ্চিরা আর আমরা.... কিন্তু কিভাবে যেন সবারই হয়ে যেত!
আহ! ভাবতে একটা কষ্ট কষ্ট ফিলিংস হয়। এখন আর নানী নাই। রান্নাঘরে সারাক্ষণ ভাত ফুটতে থাকে না। অদ্ভুত পাবনার ভাষায় বকাবাজি করারও কেউ নাই। সেই নিচতলা থেকে চাপকলের পানি টেনে উঠাতে হয় না। টানা লম্বা বারান্দাটাও নাই। সব মামাদের জন্য আলাদা আলাদা রান্নাঘর, আলাদা বারান্দা। বাড়িটাতে পা রেখেই মনের আনন্দটা চট করে নিভে যায়।
হয়ত এটা মানুষের মনের অদ্ভুত কোন ব্যাপার। ঐ বাড়িটার সাথে শৈশবের আনন্দগুলো জড়িয়ে গেছে। যদিও এখন আর বাড়িটাও আগের মত নেই, তার বাসিন্দারাও বদলেছে, তবু ঢাকার দমবন্ধ পরিবেশে থাকতে থাকতে যখন হাঁপিয়ে উঠি, তখন মনটা দৌড় মারে ঐদিকে। ঢাকার উপর ভালবাসার সিলিং নাই। এজন্য ঢাকায় সারাজীবন কাটিয়েও ঢাকার উপর টান সহজে হতে চায় না।
শুধু মনে হয় ঐখানটাতে সুখ রাখা আছে।
বস্তা বস্তা সুখ.........
Labels:
Gustav Klimt,
Tree of Life.,
ছুটি,
জীবনচক্র,
পালায় যাব
Sunday, December 25, 2011
কাভি কাভি মেরে দিল মে... খায়াল আ'তা হ্যায়.........
আজকে একটু ঢিসটিং ঢিসটিং মুডের মধ্যে আছি।
রাতে ঘুমাই নাই। মুভি দেখসি। দেখা মুভি। আগে দেখসিলাম। পরে কেন জানি মুভিটা কালেকশানে রাখার মত মনে হয় নাই (যদিও মুভিটা ভালো লাগসিলো)। কেমন যেন একটা বিরক্তি কাজ করেছিল মুভিটার উপর। আবার কথা নাই বার্তা নাই, বছর দুই-তিন পরে মনে হল -'আসলে মুভিটা ভালো'। কালেকশানে রাখা উচিত। তাই ভার্সিিটর লাইব্রেরীর ইন্টারনেটের সদ্ব্যবহার করে মুভিটা নামালাম। এইবার দেখার পর অনেক ভালো লাগল। আসলে তখন আমি মুভিটা ঠিক মতন বুঝিই নাই, এখন মনে হল।
অবশ্য এইসব কথার পিছনের একটা কথা আছে, যেটা বললে তামাশার পাত্রও হয়ে যেতে পারি (নেভার মাইন্ড, আই'ল রিস্ক দ্যাট!)
রাতে ঘুমাই নাই। মুভি দেখসি। দেখা মুভি। আগে দেখসিলাম। পরে কেন জানি মুভিটা কালেকশানে রাখার মত মনে হয় নাই (যদিও মুভিটা ভালো লাগসিলো)। কেমন যেন একটা বিরক্তি কাজ করেছিল মুভিটার উপর। আবার কথা নাই বার্তা নাই, বছর দুই-তিন পরে মনে হল -'আসলে মুভিটা ভালো'। কালেকশানে রাখা উচিত। তাই ভার্সিিটর লাইব্রেরীর ইন্টারনেটের সদ্ব্যবহার করে মুভিটা নামালাম। এইবার দেখার পর অনেক ভালো লাগল। আসলে তখন আমি মুভিটা ঠিক মতন বুঝিই নাই, এখন মনে হল।
অবশ্য এইসব কথার পিছনের একটা কথা আছে, যেটা বললে তামাশার পাত্রও হয়ে যেতে পারি (নেভার মাইন্ড, আই'ল রিস্ক দ্যাট!)
Thursday, December 22, 2011
অক্টোবরের ডায়রি
[ বহুদিন আগের লেখা এইটা। ২০০৯ এর অক্টোবরে। সামহয়্যারইন ব্লগে আমার ড্রাফট সেকশনটাতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে গিয়ে বের হল লেখাটা। মনে পড়ে একবার পাবলিশ করেছিলাম লেখাটা... পরে আবার ড্রাফট করে ফেলেছিলাম।
আব্দুল মান্নান সৈয়দ নাকি একবার বলেছিলেন, যে লেখাটা একবার লেখা হয়ে গেছে, সেটা হল একটা বাচ্চার মত। ভালো হোক, মন্দ হোক; এখন তার যত্ন করতে হবে।
এই লেখাটা আজকে ড্রাফট থেকে বের করার পিছনে এই চিন্তাটাও একটা ইনফ্লুয়েন্স।
আব্দুল মান্নান সৈয়দ নাকি একবার বলেছিলেন, যে লেখাটা একবার লেখা হয়ে গেছে, সেটা হল একটা বাচ্চার মত। ভালো হোক, মন্দ হোক; এখন তার যত্ন করতে হবে।
এই লেখাটা আজকে ড্রাফট থেকে বের করার পিছনে এই চিন্তাটাও একটা ইনফ্লুয়েন্স।
Friday, October 7, 2011
সাবান-বিস্কুট এবং জলরঙাতঙ্ক
এমনিতে বিস্কুট খাই না। ভালো লাগে না মোটেও। কিন্তু আজকে প্যাকেটের উপর 'প্রবঞ্চনাকারী' পিকচার দেখে হঠাৎ আধখানা বিস্কুট (আস্ত একটাই উঠাতে চেয়েছিলাম, কিন্তু বিস্কুটটা তার বেটার হাফের সাথে আগেই ডিভোর্স নিয়ে রেখেছিল সেটা টের পাই নাই:|) হাতে তুলে নিলাম।
Subscribe to:
Posts (Atom)

