Monday, September 9, 2024

বিদ্রোহ ও বিষণ্ণতার কাব্য

 অনেকদিন পর ব্লগে ঢুকলাম। অপশনগুলো চিনি না এখন আর। পুরাতন সিলি সব লেখা পড়লাম কিছুক্ষণ। অনেক কথা বলতে মন চাইছে। বলার লোক নেই। এজন্য শূন্যে তাকে ছড়িয়ে দিতে এলাম। অবশ্য শূন্য না বলাই ভালো এখানে চিপা চাপায় হয়তো এখনো আমার পরিচিতজনরা ঢুঁ মেরে যায় কখনও কখনও। মনের কথা পুরো অকপটে বলার জন্য দরকার anonymity. নাহলে সামাজিক অস্বস্তি ভর করে। আমার মাঝে মাঝে আসব মানুষদের প্রতি ঈর্ষা হয় যারা তাদের ব্যক্তি জীবনের গল্পও অকপটে সবার সামনে করেছে। এরকম একজনের নাম মনে এল -তসলিমা নাসরিন। ফালতু মহিলা। কিন্তু লেখক হিসেবে গুণী ছিল। তার আত্মজীবনীমূলক গল্পগুলো সত্য না মিথ্যা তা আমরা পাঠকেরা কখনো হয়তো পুরোটা জানবো না, তবে নিজের ব্যক্তিজীবনের সুগভীর বেদনার কথা যে সে পুরো মনের জ্যাকেট খুলে দেখিয়েছে, একেবারে পাঁজরের ভিতরকার ক্ষতটাসহ - এটা নিঃসন্দেহে সাহসী কাজ। আমি ব্যক্তিগত সুখ দুঃখের কথাগুলো এভাবে লিখতে পারার কথা বলছি। হয়তো বলাইচাঁদ থেকে বনফুল টাইপ ছদ্মনাম নিলে সম্ভব। বিষয়টা ভাববার। 

ভালো কথা, বিদ্রোহ এবং বিষণ্নতার গল্প করতে চেয়েছিলাম, এননিমিটি নাই বলে পারলাম না। 

Thursday, January 17, 2019

তারছিঁড়া

পটাং করে তার ছিঁড়ে গেল।
মাথার তার। 
বিবেক বুদ্ধি এবং বিচক্ষণতার তার।
তার ছিঁড়া মানুষের আনন্দ আছে.....
অবশ্য এই নামের মুভিটার কথা বলছি না। বাজ্জো মুভি। 
ক্যায়সা জানি লাগতাসে...
ভালো লাগতেসে না...
বিশি এক্সপোজড লাগতেসে।
মাইনষে এত কতা কয়... 
ইয়া আল্লাহ!

Friday, May 2, 2014

অযথা এই বৃত্তচারণ

কতক্ষণ যাবত চেষ্টা চালালাম, কিন্তু একটা যথাযথ নাম দিতে পারলাম না পোস্টের :(.....
............

ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনা:

আজকাল ডুব মারতে মন চাচ্ছে । পুরাতন ইচ্ছা। কিন্তু নতুন করে জেগে উঠেছে।  এই বিষয়ে আমার "গবেষণা"(মানে মনে মনে চালানো চিন্তা) বলে যে, আসলে প্রাইভেসী এবং পাবলিক লাইফ দুইটা জিনিসের মধ্যে ব্যালান্স দরকার। কিন্তু আধুনিক জীবনযাত্রায় ব্যালান্স বলে কোন কথা নাই। এই জীবনে আছে গতি। মারাত্মক গতি। থামতে চাইলেও থামা যাবে না। কারণ রাস্তায় একটা গাড়ির সামনে থাকে অসংখ্য গাড়ি। আর পিছনে থাকে আরো অসংখ্য গাড়ি। ড্রাইভারের যদি হঠাৎ মন চায় একটু জিরিয়ে নিতে আর সে হার্ড ব্রেক করে; তখন তার পিছনের সব গাড়ির গতি রোধ হয়ে বিশাল বিপত্তি ঘটে যায়। সুতরাং ড্রাইভারকে চালিয়েই যেতে হয়।

Wednesday, May 29, 2013

পানি


আমি তখন ক্লাস সিক্স এ পড়ি। আমার বড়বোনের সাথে বাসায় ফিরতে হত বলে আমাকে ছুটির পরও বেশ অনেকক্ষণ স্কুলে থাকতে হত। খুব বিরক্তিকর ব্যাপার, সন্দেহ নেই। আমি একা একা স্কুলের মাঠে হাঁটাহাঁটি করতাম আর মনে মনে কথা বলতাম। মাঝে মাঝে এভাবে দেরি করার কারণে অনেকের সাথে পরিচয় হয়ে যেত, সেরকমই একজন ছিল মিষ্টি।

 যাহোক একদিন আমি একা একা হাঁটছি আর কিছু একটা ভাবছি, ভাবতে ভাবতে পানি খাচ্ছি বোতল থেকে। ভীষণ গরম পড়েছিল সেদিন। আর কোন কারণে পানি ছিল আমার কাছে খুব কম। পানি না খেলে আবার আমার চলে না। তো ভাবতে ভাবতে আনমনে আমি বোতলের শেষ পানিটুকু মুখে ঢেলে দিলাম।

তুই তুই তুই তুই.......


বাংলাদেশে আসার পর তখন নতুন নতুন বাংলা শিখেছি। বয়স হবে কত আর, বড়জোড় চার পাঁচ। মায়ের কাছ থেকে, বাবার কাছ থেকে, সবার কাছ থেকে বাংলা শিখি। বেড়াতে গেলাম নানার বাড়ি, খাঁটি পাবনাইয়া কিছু গালি শিখে এলাম সবাই। বাসায় এসে বড়আপু আর ভাইয়া ঝগড়া লাগিয়ে একজন আরেকজনকে গালি দিতে লাগল,'শালির বিটি শালা, শালির বিটি শালা...'

অ্যাহ মেয়েরা, চুপ ক্যারা.....


আমাদের নিরঞ্জন স্যার, স্কুলের অংক স্যারের কথা হঠাৎ খুব মনে পড়ছে। স্যার বেশ কিছুটা অদ্ভুত ছিলেন, এই হিসেবে যে স্যারের কোনই বিশেষত্ব ছিল না, অংক করতে পারা ছাড়া।

স্যারের ক্লাসে আমার কাজই ছিল গল্প করা। ক্লাসটা হত খুবই বোরিং, স্যার এসে ঢুকতেন, চক হাতে নিতেন,বোর্ডে যেতেন এবং কোন ভুমিকা ছাড়াই অংক করানো শুরু করে দিতেন। আমি একহাতে স্যারের অংক তুলতাম, অন্যহাতে ফ্রেন্ডের সাথে খোঁচাখুঁচি করতাম আর মুখ দিয়ে সমানে কথা বলে যেতাম। যখন বেশি কথার শব্দ হত,স্যার হঠাৎ হঠাৎ পিছন ফিরে একটা হাঁক দিতেন,'অ্যাহ মেয়েরা,চুপ ক্যারা....'

Saturday, September 1, 2012

কিছুটা আড়াল এখন প্রয়োজন

[ইহা গদ্য লেখা
কিন্তু ইচ্ছা করেই পদ্য-পদ্য চেহারা দিলাম]
............................

চেঁচামেচি গান শুনি আর ব্লগ লিখি,
মাথার মধ্যে শর্ট সার্কিটও পুরানো হয়ে গেছে,
মাঝে মাঝে একটা দুইটা লাইন চলে আসে মাথায়;
আবার বারান্দার গ্রীল গলে আকাশে পালায়..

Friday, March 2, 2012

খুচরো আনন্দ

কতগুলো দারুণ মজাদার কিন্তু অর্থহীন কাজ আছে যেগুলো বেশিরভাগ ছোটবেলায় করতাম। এইগুলো হল খুচরো আনন্দের কাজ। বড় মানুষের জন্য মোটামুটি এগুলো সবগুলোই পাগলামীর পর্যায়ে পড়ে.. তবে আনন্দ তো আনন্দই।

১.ট্যালকাম পাউডার ম্যানিয়া:

ট্যালকাম পাউডার ফ্লোরে ছিটিয়ে তাতে অন্তত একবার পিছলা খায়নি এরকম বাচ্চা মনে হয় পাওয়া কঠিন। আমার মনে পড়ে আমরা ভাইবোনেরা ফ্লোরে পাউডার ছিটিয়ে মোজা পরে 'পিছলা-পিছলি' খেলতাম।

যেকোনো পারফিউমড জিনিসই হল স্বপ্নময়..dreamy....আহ....সুঘ্রাণ.... উমম... (আল্লাহই জানে যারা পড়তেসে তারা কী ভাবতেসে আমার মস্তিষ্কের স্বাস্থ সম্পর্কে:-|)। তার মধ্যে আবার ট্যালকাম পাউডার একটু বেশি ভালো লাগে। এজন্য হয়ত পিছলা-পিছলা খেলাটা আমার এখনো খেলতে ভালো লাগে।
মাঝে মইধ্যে গোফনে গোফনে খেলাই... কেডাউ জানে না যাতে... সেইরকম সাবধানে.... :D

Tuesday, January 24, 2012

দিন-বণিক: স্টল নাম্বার ১৩২

আজকের হাওয়াটা ভালো আছে।
বেশ একটু রোদ উঠেছে।
এরকম ওয়েদারে নানাবাড়ি ঘুরতে যেতে মন চায়।
স্কুলের ডিসেম্বরের ছুটির কথা মনে হয়।

এরকম সময়ে পাবনায় যেতাম। আর খেলতাম ব্যাডমিন্টন। আহ! ছাদে পিকনিক করাও একটা মজা ছিল। ছোট্ট মাটির চুলায় রান্না। এক একজনের মাথার উস্কোখুস্কো চুল বাতাসে উড়ছে, মা-খালারা ক্রমাগত বকাবকি করছে  পালা করে, কিন্তু পাত্তা দেয় কে! রান্না শেষে মামা সুন্দর করে এসে বলত, 'কি রে, তোরা কি একাই খাচ্ছিস নাকি? আমাদেরকে দিবি না?' শেষে নানাজীকে একটা বাটিতে করে একটু, মামাদেরকে, পিচ্চিরা আর আমরা.... কিন্তু কিভাবে যেন সবারই হয়ে যেত!

আহ! ভাবতে একটা কষ্ট কষ্ট ফিলিংস হয়। এখন আর নানী নাই। রান্নাঘরে সারাক্ষণ ভাত ফুটতে থাকে না। অদ্ভুত পাবনার ভাষায় বকাবাজি করারও কেউ নাই। সেই নিচতলা থেকে চাপকলের পানি টেনে উঠাতে হয় না। টানা লম্বা বারান্দাটাও নাই। সব মামাদের জন্য আলাদা আলাদা রান্নাঘর, আলাদা বারান্দা। বাড়িটাতে পা রেখেই মনের আনন্দটা চট করে নিভে যায়।

হয়ত এটা মানুষের মনের অদ্ভুত কোন ব্যাপার। ঐ বাড়িটার সাথে শৈশবের আনন্দগুলো জড়িয়ে গেছে। যদিও এখন আর বাড়িটাও আগের মত নেই, তার বাসিন্দারাও বদলেছে, তবু ঢাকার দমবন্ধ পরিবেশে থাকতে থাকতে যখন হাঁপিয়ে উঠি, তখন মনটা দৌড় মারে ঐদিকে। ঢাকার উপর ভালবাসার সিলিং নাই। এজন্য ঢাকায় সারাজীবন কাটিয়েও ঢাকার উপর টান সহজে হতে চায় না।
শুধু মনে হয় ঐখানটাতে সুখ রাখা আছে।
বস্তা বস্তা সুখ.........

Sunday, December 25, 2011

কাভি কাভি মেরে দিল মে... খায়াল আ'তা হ্যায়.........

আজকে একটু ঢিসটিং ঢিসটিং মুডের মধ্যে আছি।
রাতে ঘুমাই নাই। মুভি দেখসি। দেখা মুভি। আগে দেখসিলাম। পরে কেন জানি মুভিটা কালেকশানে রাখার মত মনে হয় নাই (যদিও মুভিটা ভালো লাগসিলো)। কেমন যেন একটা বিরক্তি কাজ করেছিল মুভিটার উপর। আবার কথা নাই বার্তা নাই, বছর দুই-তিন পরে মনে হল -'আসলে মুভিটা ভালো'। কালেকশানে রাখা উচিত। তাই ভার্সিিটর লাইব্রেরীর ইন্টারনেটের সদ্ব্যবহার করে মুভিটা নামালাম। এইবার দেখার পর অনেক ভালো লাগল। আসলে তখন আমি মুভিটা ঠিক মতন বুঝিই নাই, এখন মনে হল।

অবশ্য এইসব কথার পিছনের একটা কথা আছে, যেটা বললে তামাশার পাত্রও হয়ে যেতে পারি (নেভার মাইন্ড, আই'ল রিস্ক দ্যাট!)

Thursday, December 22, 2011

অক্টোবরের ডায়রি

[ বহুদিন আগের লেখা এইটা। ২০০৯ এর অক্টোবরে। সামহয়্যারইন ব্লগে আমার ড্রাফট সেকশনটাতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে গিয়ে বের হল লেখাটা। মনে পড়ে একবার পাবলিশ করেছিলাম লেখাটা... পরে আবার ড্রাফট করে ফেলেছিলাম।

আব্দুল মান্নান সৈয়দ নাকি একবার বলেছিলেন, যে লেখাটা একবার লেখা হয়ে গেছে, সেটা হল একটা বাচ্চার মত। ভালো হোক, মন্দ হোক; এখন তার যত্ন করতে হবে।

এই লেখাটা আজকে ড্রাফট থেকে বের করার পিছনে এই চিন্তাটাও একটা ইনফ্লুয়েন্স।

Friday, October 7, 2011

সাবান-বিস্কুট এবং জলরঙাতঙ্ক

এমনিতে বিস্কুট খাই না। ভালো লাগে না মোটেও। কিন্তু আজকে প্যাকেটের উপর 'প্রবঞ্চনাকারী' পিকচার দেখে হঠাৎ আধখানা বিস্কুট (আস্ত একটাই উঠাতে চেয়েছিলাম, কিন্তু বিস্কুটটা তার বেটার হাফের সাথে আগেই ডিভোর্স নিয়ে রেখেছিল সেটা টের পাই নাই:|) হাতে তুলে নিলাম।

Sunday, September 11, 2011

আবজাব দিনলিপি

অদ্ভুত অদ্ভুত কতগুলো কাজ করতে মন চাচ্ছে ইদানিং।
১, মন চাচ্ছে লিখতে। অথচ লেখা আসছে না। রাইটার হবার নামগন্ধ না থাকতেই রাইটার'স ব্লক... হা হা...
২.বাইরে কোথাও ঘুরতে যেতে ইচ্ছা করছে, আবার করছে না। ইচ্ছা করছে একটু কোথাও গিয়ে ঘুরে আসি। শেষ বিকেলের হালকা রোদে...।
আশ্চর্য! আমি অনেকদিন কোথাও যাই না।
অথচ আগে কোথাও যাবার ন্যুনতম সুযোগ পেলেই লাফালাফি শুরু করে দিতাম।
আর ছিল দুপুর রোদে ঘোরা। আমার 'মোটামুটি রূপসচেতন' বান্ধবীও আমার পাল্লায় পড়ে শেষমেষ খটখটে দুপুর রোদে চন্দ্রিমা উদ্যানে গিয়ে বসে আমার সাথে অলস আড্ডা দিত আর মানুষ দেখে বিশ্লেষণ করত।
সেইসব দিন কোথায় গেছে জানি না....

Tuesday, September 6, 2011

একটা কিছু লিখতে তো হবে!

লিখতে বসলেও কোন লেখা আসে না। কি নিয়ে লেখা যায় ভাবি, কিন্তু কোন কূল কিনারা পাই না। ভাগ্যিস আমি প্রফেসনাল লেখক না! হলে সমস্যা হয়ে যেত।
আমাদের বাসার পিছনের বস্তিটায় সারাদিন গান-সিনেমা ইত্যাদি চলতেই থাকে। সকাল পাঁচটার দিকে স্টার্ট নেয়। আর থামে রাত একটার দিকে। লোকটা রিকশা চালায়, তার দুই বউ (লেখাপড়া করে, চাকরি নিয়ে,লাখ টাকা কামাই করেও ছেলেরা একটা বিয়ে করতেই সাহস করে না, আর এই লোক দু'টো বিয়ে করে বসে আছে! guts আছে বলা উচিত, নাকি ঘিলু নাই বলা উচিত- আমার জানা নাই...)। এই লোক মাইজ ভান্ডারীর ভক্ত। ভক্তিমূলক গান শুনে সে আমাদের এই রমজানটাকে রীতিমতো দুর্বিষহ করে তুলেছিল। সেহরিরর পর থেকে গভীর রাত পযর্ন্ত আমাদেরকে বাধ্য হয়ে ভান্ডারীর নামজপ শুনতে হত। এখন 'দিও নাকো বাসর ঘরের বাত্তি নিভাইয়া..' জাতীয় গান এবং নায়ক নায়িকাদের নাকি কান্নার সাথে ভিলেনের মু-হা-হা হাসির একটা জগাখিচুড়ি কম্বিনেশন শুনতে হচ্ছে।
মানুষটা আমি খুব মহৎ না... সত্যি বলতেই এই লোকের জন্য মাঝে মধ্যেই বদ দোয়া করেছি যাতে

Friday, August 19, 2011

যত সহজে তার ছিঁড়ে যায়.....

[দিনলিপি মার্কা সস্তা পোস্ট.... সারবস্তুবিহীন। সতর্কবাণী দিয়ে রাখলাম। পড়ে টাইম নষ্ট করলে আমার দোষ নাই]
........................

চিন্তা করছি রাতে ঘুমাবো। সারাদিন ঘুমালে রোজা টের পাওয়া যায় না। ভাল্লাগে না। গত রোজার মত এই রোজাতেও বাসায় অসুখ-বিসুখ লেগেই আছে, এজন্য কেমন যেন রমজানের যে শান্ত divine পরিবেশ থাকে সেটা নাই। ব্যাপারটায় মাঝে মধ্যে অসহ্য রাগ হচ্ছে। রাগের সাথে জিহাদ করতে হবে। তাছাড়া উপায় নাই।
..........................

Tuesday, August 16, 2011

স্বপ্ন এবং দু:স্বপ্নেরা

ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখার মতন চমৎকার ব্যাপার আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খুব কমই আছে। আর ঠিক সেটারই উল্টা পিঠ হল দু:স্বপ্ন। এর মতন বাজে জিনিস কমই আছে। যারা স্বপ্নকে অর্থবহ বিষয় মনে করেন, তাদের জন্য দু:স্বপ্ন জিনিসটা ভয়াবহ। আমি এই দলে।
স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানার জন্য অনেক website  আছে ইন্টারনেটে। আমি অনেকসময় সেখান থেকে অর্থটা দেখে নেই। যারা স্বপ্নকে নিরর্থক মনে করেন তারা হয়ত জানেন না, স্বপ্ন নিয়ে বিরাট বিরাট গবেষণা হয়ে গেছে পৃথিবীতে। বড় বড় মনস্তত্ববিদরা এই সব গবেষণা করেছেন। আমি লাইব্রেরীতে সাইকোলজীর বই ঘাঁটতে গিয়ে দেখে বেশ অবাকই হয়েছি। কারণ, বিজ্ঞানীরা সাধারণত এই জাতীয় বিষয়কে মূল্য দেয় না বলেই আমাদের মতন সাধারণ লোকেদের ধারণা। এজন্য দেখা যায়, তারা থাকে তাদের মতন, বিশেষ জ্ঞান নিয়ে, আর আমরা থাকি আমাদের জ্ঞান নিয়ে। যদিও দুই দলের মধ্যে সহযোগিতা থাকা দরকার।

Wednesday, July 20, 2011

প্যান্ডোরার বাক্সের তলায় যা পড়ে ছিল.......

সময় চলে যাবার মধ্যে একটা মন খারাপ করা element আছে। এই যে সময় চলে যাচ্ছে , আর ফিরবে না- কথাটা ভাবতেই মন খারাপ হয়। এইআজকের বিকেলটা.... এই যে মাত্রই শব্দ পেলাম রিকশাওয়ালা টুন টুন শব্দে বেল বাজিয়ে চলে গেল রাস্তার উপর smooth ছন্দ তুলে..... এই যে ভাইয়ার সাথে কাল সারা রাত গল্প করে রাত পার করে দিনে ঘুমালাম... এই চলে যাওয়া রাতটা.............
এরা কেউই আর ফিরবে না....
অথচ ওই সময়টুকুকে আমি, আমরা আমাদের সমস্ত বুক দিয়ে জড়িয়ে ধরেছি, আমাদের অনুভূতির শেষ বিন্দু দিয়ে অনুভব করেছি, আমাদের যৌবন চলে গেছে ঐসব মুহূর্তে..........
চলে গেছে আমাদের পূর্বপুরুষেরা.......

Friday, June 17, 2011

"অদ্ভুত হাওয়ার রাত ......."


এত বাতাস বইছে যে আমার হ্যান্ডমেইড উইন্ডচাইমটাও টুং টাং বাজছে।
সম্ভবত আমার ক্রাফটসম্যানশিপে ত্রুটি, অল্প বাতাসে সহজে বাজে না...

গান শুনছি Poets of The Fall এর Sleep আর শুনছি একটা ইন্সট্রুমেন্টাল বিটোভেনের Moonlight Sonata.... এটা নাকি তার ফার্স্ট লাভকে স্মরণ করে কম্পোজ করা.... মারাত্মক।

বাতাসে পর্দা উড়তে দেখে জীবনানন্দের সেই কবিতাটার কথা মনে হচ্ছে,
ঐ যে কী যেন একটা লাইন আছে, "অদ্ভুত হাওয়ার রাত ছিল কাল..."

Sunday, April 24, 2011

Rainy

It's just stopped raining. I was dying to go out and scream and run wild like some of the guys were doing. Do they know that they belong into the "happier" class, while (being a woman and being where I am right now) I belong to the "disadvantaged" or "suppressed" (I can't find the proper word, sorry about that) class?

Leave it. It's over now and I must head back home. I'm really terrified of traffic jam.

Saturday, February 26, 2011

ওরে অভাগা ভ্যা-ভ্যালেন্টাইন ডে......

ভ্যালেন্টাইন ডে নিয়ে আমার অভিজ্ঞতা ভালো না।
ইন ফ্যাক্ট খারাপ। আরো স্পেসিফিক করে বললে বিব্রতকর (ইয়া আল্লাহ, কী মনে করতে বসলাম! #:-S )
যখন ক্লাস সেভেনে পড়ি,