ক্লাস সিক্স।
বয়স বোধহয় বারো বা তেরো।
স্কুল থেকে বাসায় ফিরিতেছিলাম। যথারীতি একটা দার্শনিক ভাবের মধ্যে আছি.........
এমন সময়......
পাশ দিয়ে একটা রিকশা গেল।
Saturday, February 26, 2011
Sunday, October 10, 2010
কেরমে কেরমে জীবন পার হইল মুর্শীদ, ট্যার পাইলাম না.....আ আ আ......
গেয়ানী গুণী লোকেরা বলেচেন, জীবন পার কইরা দিবা, পাত্তা দিবা না (ভয় পাইয়েন না, এই গেয়ানী গুণী লোক আমি নিজে। দেখলাম কেউই এই গেয়ানের কতাডা বলতে চাইতেসে না, এর লাইগা আমিই পরের নাম দিয়া বলি)।
.................................
গত কয়েকদিন লাগাতার বৃষ্টি হইল। বৃষ্টি দেখতে দেখতে আর "আকাশের মন খারাপ" জাতীয় সাহিত্য মনে আসে না, মনে হয়, "আকাশের প্যাট খারাপ" (কথা বাজে শুনাইল, তয় কথা সত্য)। হইলে হইত.... কিন্তু বৃষ্টির চোটে আমার নিউমোনিয়া হয়ে গেল। :(
এরকম অসহ্য আবহাওয়া হইল কেন বাংলাদেশের?
ইহা গ্লোবার ওয়ার্মিং এর ফল।
আমি যে টাইটেল দিলাম, এটা কোন গেয়ানী গুণী লালন-টাইপ লোকের গান না... এটা আমার আবিষ্কার। তবে ভাবে মনে হইতেসে, কঠিন কতগুলো লাইন আছে এই লাইনটার পরেই.... ওয়েল, আসলে নাই।
স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে ভালো ন্যুডলস রান্না করলাম আজকে। কিন্তু খাওয়ার উপায় নাই, এটা গেস্টের সামনে যাবে।
মাঝে মধ্যে একটু খেয়াল দিয়ে তাকালে জীবন সম্পর্কে কেবল দার্শনিক ভাষ্য মুখে আসতে চায়.........
কিন্তু আসতে দেই না, কারণ এইসব দার্শনিক কথা সবই আগেই বলা হয়ে গেছে। বুড়া বুড়া মনীষীরা বলে দিয়ে গেছেন। আমার বলার আর জায়গা বাকি নাই। পুরান কথা বার বার বলে কী লাভ?
এইজন্য এখন হঠাৎ মনে চিন্তা আসছে, জীবন পার হয়ে যাক, আর কয়দিনই বা। চলে গেলেই চুকে গেল।
সেজন্যই এই দার্শনিক ভাবধারার পোস্ট আমি ধার করা ইন্টারনেটের দ্বারা লিখিতেছি। যার সারমর্ম হইল, ভক্তকুল, তোমরা কমেন্ট করিলে সাঁই বাবা (আমি) কবে উত্তর দিব তার ঠিক নাই। আদৌ দিতে পারিব কিনা তাহা কে জানে? পৃথিবীতে তো (সকল) কিছুই অর্থহীন। বেটার কমেন্ট না কর। আর যদি করতেই চাও, তবে কর। যাহা মনে চায় জীবনে তাহাই করার চেষ্টা করিও বৎস (শেষে কি য-ফলা হইবে?)।
আজকের এই (হয়ত) সমাপনী পোস্টের সাথে যাইবে একটি রৌদ্রোজ্জ্বল দিনের ছবি। যাতে যখনি উহা দেখিব তখনই বৃষ্টি আর গায়ে লাগিবে না।
.................................
গত কয়েকদিন লাগাতার বৃষ্টি হইল। বৃষ্টি দেখতে দেখতে আর "আকাশের মন খারাপ" জাতীয় সাহিত্য মনে আসে না, মনে হয়, "আকাশের প্যাট খারাপ" (কথা বাজে শুনাইল, তয় কথা সত্য)। হইলে হইত.... কিন্তু বৃষ্টির চোটে আমার নিউমোনিয়া হয়ে গেল। :(
এরকম অসহ্য আবহাওয়া হইল কেন বাংলাদেশের?
ইহা গ্লোবার ওয়ার্মিং এর ফল।
আমি যে টাইটেল দিলাম, এটা কোন গেয়ানী গুণী লালন-টাইপ লোকের গান না... এটা আমার আবিষ্কার। তবে ভাবে মনে হইতেসে, কঠিন কতগুলো লাইন আছে এই লাইনটার পরেই.... ওয়েল, আসলে নাই।
স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে ভালো ন্যুডলস রান্না করলাম আজকে। কিন্তু খাওয়ার উপায় নাই, এটা গেস্টের সামনে যাবে।
মাঝে মধ্যে একটু খেয়াল দিয়ে তাকালে জীবন সম্পর্কে কেবল দার্শনিক ভাষ্য মুখে আসতে চায়.........
কিন্তু আসতে দেই না, কারণ এইসব দার্শনিক কথা সবই আগেই বলা হয়ে গেছে। বুড়া বুড়া মনীষীরা বলে দিয়ে গেছেন। আমার বলার আর জায়গা বাকি নাই। পুরান কথা বার বার বলে কী লাভ?
এইজন্য এখন হঠাৎ মনে চিন্তা আসছে, জীবন পার হয়ে যাক, আর কয়দিনই বা। চলে গেলেই চুকে গেল।
সেজন্যই এই দার্শনিক ভাবধারার পোস্ট আমি ধার করা ইন্টারনেটের দ্বারা লিখিতেছি। যার সারমর্ম হইল, ভক্তকুল, তোমরা কমেন্ট করিলে সাঁই বাবা (আমি) কবে উত্তর দিব তার ঠিক নাই। আদৌ দিতে পারিব কিনা তাহা কে জানে? পৃথিবীতে তো (সকল) কিছুই অর্থহীন। বেটার কমেন্ট না কর। আর যদি করতেই চাও, তবে কর। যাহা মনে চায় জীবনে তাহাই করার চেষ্টা করিও বৎস (শেষে কি য-ফলা হইবে?)।
আজকের এই (হয়ত) সমাপনী পোস্টের সাথে যাইবে একটি রৌদ্রোজ্জ্বল দিনের ছবি। যাতে যখনি উহা দেখিব তখনই বৃষ্টি আর গায়ে লাগিবে না।
Monday, September 27, 2010
এলোমেলো....
"Life is what happens to you while you're busy making other plans." - John Lennon
এহ একেবারে খাঁটি কথা! আজকে এই উক্তিটা টুইটারে পেলাম। আগেও এটা একবার দেখেছিলাম, আজকে পোস্ট করে দিলাম। কাহিনী হল- "কথাটা সত্য"।
এরপরের কথা হল, আমার মারাত্মক খিদে লেগেছে, বহুক্ষণ যাবতই লেগে আছে, কিন্তু আমি কিছু খাচ্ছি না। আমার খেতে ইচ্ছা হচ্ছে কিন্তু উঠে গিয়ে ঝামেলা করতে মন চাইছে না। একবার আমার ভাইবোনদের মধ্যে কেউ একজন বলেছিল যদি এমন হত যে সুইচ টিপে দিলেই জীবনটা যাপিত হয়ে যাবে, তাহলে ভাল হত। আমার এখন ওরকম মনে হচ্ছে সুইচ টিপে খিদে মিটিয়ে ফেলি।
নেক্সট কথা হল, কোন এক অজানা ব্যক্তি অভ্রটা আনইনস্টল করে দিয়ে আমার জন্য বিশেষ উৎপাত সৃষ্টি করেছে।
এহ একেবারে খাঁটি কথা! আজকে এই উক্তিটা টুইটারে পেলাম। আগেও এটা একবার দেখেছিলাম, আজকে পোস্ট করে দিলাম। কাহিনী হল- "কথাটা সত্য"।
এরপরের কথা হল, আমার মারাত্মক খিদে লেগেছে, বহুক্ষণ যাবতই লেগে আছে, কিন্তু আমি কিছু খাচ্ছি না। আমার খেতে ইচ্ছা হচ্ছে কিন্তু উঠে গিয়ে ঝামেলা করতে মন চাইছে না। একবার আমার ভাইবোনদের মধ্যে কেউ একজন বলেছিল যদি এমন হত যে সুইচ টিপে দিলেই জীবনটা যাপিত হয়ে যাবে, তাহলে ভাল হত। আমার এখন ওরকম মনে হচ্ছে সুইচ টিপে খিদে মিটিয়ে ফেলি।
নেক্সট কথা হল, কোন এক অজানা ব্যক্তি অভ্রটা আনইনস্টল করে দিয়ে আমার জন্য বিশেষ উৎপাত সৃষ্টি করেছে।
Thursday, September 23, 2010
যাহা খাই, তাহা ভুল করে বারবার খাই! $:D
চেহারা দেখে কখনোই বেশি কিছু বোঝা যায় না। এইটা একটা আজব ফিলসফি।
দুনিয়ার কোন জিনিসটার কোয়ালিটি তার চেহারা দেখে বোঝা যায়? অবশ্য সৌন্দর্যের কোয়ালিটি বিচারের জন্য চেহারা দেখতে হয়।
ফিলসফি ঝাড়তে গিয়ে একটা কথা মনে পড়ল। আমরা তখন ইরানে থাকি। আমার মামাও ইরানে গিয়েছেন সবেমাত্র। সেখানে গিয়ে তার কোন এক ইরানী রমণীকে বড়ই মনে ধরেছিল। চিন্তা করছিলেন বিয়ে করবেন :)(পুরুষেরা কত সহজে এই ট্যাবলেটটা গিলতে চায় এবং ক্ষেত্রবিশেষে চায় না, এটা একটা আশ্চর্য ব্যাপার!)। মামার ওখানে এক বাংলাদেশী ছেলের সাথে পরিচয় হয়েছিল যে কিনা ওখানে দীর্ঘদিন ধরে আছে এবং ইরানী এক মহিলাকে বিয়ে করেছে। মামার এই ইচ্ছার কথা শুনে আম্মু আব্বু নিরুৎসাহিত করবে এই আশংকা করে মামা তার বন্ধুটাকেও সাথে নিয়ে এসেছিল। মামার প্ল্যান শোনার পর আম্মু আব্বু (যথারীতি) নিরুৎসাহিত করল। সমস্যার কথা হল, মামার বন্ধুটাও উৎসাহ দিল না। যুক্তি হিসেবে সে একটা ফার্সী উক্তি করেছিল, যেটা আমার মাঝে মাঝেই মনে পড়ে, কথাটা হল -"গোলে মাগরিবী বু-ই না দরাদ" অর্থাৎ- ''পশ্চিমা ফুলে ঘ্রাণ নাই''। কথাটার deeper meaning হল
দুনিয়ার কোন জিনিসটার কোয়ালিটি তার চেহারা দেখে বোঝা যায়? অবশ্য সৌন্দর্যের কোয়ালিটি বিচারের জন্য চেহারা দেখতে হয়।
ফিলসফি ঝাড়তে গিয়ে একটা কথা মনে পড়ল। আমরা তখন ইরানে থাকি। আমার মামাও ইরানে গিয়েছেন সবেমাত্র। সেখানে গিয়ে তার কোন এক ইরানী রমণীকে বড়ই মনে ধরেছিল। চিন্তা করছিলেন বিয়ে করবেন :)(পুরুষেরা কত সহজে এই ট্যাবলেটটা গিলতে চায় এবং ক্ষেত্রবিশেষে চায় না, এটা একটা আশ্চর্য ব্যাপার!)। মামার ওখানে এক বাংলাদেশী ছেলের সাথে পরিচয় হয়েছিল যে কিনা ওখানে দীর্ঘদিন ধরে আছে এবং ইরানী এক মহিলাকে বিয়ে করেছে। মামার এই ইচ্ছার কথা শুনে আম্মু আব্বু নিরুৎসাহিত করবে এই আশংকা করে মামা তার বন্ধুটাকেও সাথে নিয়ে এসেছিল। মামার প্ল্যান শোনার পর আম্মু আব্বু (যথারীতি) নিরুৎসাহিত করল। সমস্যার কথা হল, মামার বন্ধুটাও উৎসাহ দিল না। যুক্তি হিসেবে সে একটা ফার্সী উক্তি করেছিল, যেটা আমার মাঝে মাঝেই মনে পড়ে, কথাটা হল -"গোলে মাগরিবী বু-ই না দরাদ" অর্থাৎ- ''পশ্চিমা ফুলে ঘ্রাণ নাই''। কথাটার deeper meaning হল
Monday, September 6, 2010
The Big Bland Theory about Life
I'm giving a try.
Meaning, I'm Trying to write in "English", (which is equal to 'trying to be correct grammatically') trying to add a cartoon that I just have finished drawing (which sucks, just as I do) and trying to be positive about sitting in front of the PC writing a 'weblog'. I sometimes imagine the world as the best place to live in, with no troubles to trouble me, no worries to worry me, but I know they are just imaginations. When I was a teenager I used to be a wild dreamer. In fact, I confess, I still am a dreamer, but probably not a wild one. I'd rather call myself a 'pathetic dreamer' or a 'hopeless' one.
Life's never been easy on me. I digested it all..... but, I think, now, after all these years of digesting iron (they say, human stomach is strong enough to digest iron) I'm feeling sick. Sick of all the tensions that has crippled life, I feel like I should have the guts to throw it all up. But how can you throw up after you have already digested the venom? It's running through your veins now, nesting in your blood sells..........
YOU have become poisonous.
Meaning, I'm Trying to write in "English", (which is equal to 'trying to be correct grammatically') trying to add a cartoon that I just have finished drawing (which sucks, just as I do) and trying to be positive about sitting in front of the PC writing a 'weblog'. I sometimes imagine the world as the best place to live in, with no troubles to trouble me, no worries to worry me, but I know they are just imaginations. When I was a teenager I used to be a wild dreamer. In fact, I confess, I still am a dreamer, but probably not a wild one. I'd rather call myself a 'pathetic dreamer' or a 'hopeless' one.
Life's never been easy on me. I digested it all..... but, I think, now, after all these years of digesting iron (they say, human stomach is strong enough to digest iron) I'm feeling sick. Sick of all the tensions that has crippled life, I feel like I should have the guts to throw it all up. But how can you throw up after you have already digested the venom? It's running through your veins now, nesting in your blood sells..........
YOU have become poisonous.
Saturday, August 21, 2010
ইনস্ট্যান্ট নুডলস
[There's something quite comfortable about writing in blogspot, if you have the experience of writing in other Bangla blog sites.]
....................................
ব্লগস্পটে পোস্ট করার জন্য বাংলা ব্লগে টাইপ করছি। অভ্রর টাইপিংটা আমার ভালো লাগে না। কি যে এক বিপদ, বিজয়ের সিস্টেমটার সাথে আমাদের হাতে লেখার অভ্যাসটার সাযুজ্য আছে। এ-কারটা আগে দিয়ে পরে বর্ণটা দিতে হবে। কিন্তু অভ্রতে 'কার'টা পরে দিতে হয়। এই সমস্যাটা ভালো না। কিছু একটা সমাধান দরকার এটার। আমাদের কী-বোর্ড লে আউট জিনিয়াসরা অভ্র আর বিজয়কে একীভূত করতে পারেন না? করলে ভালো হত।
আসলে কিছু লেখার নাই। আমার একটা ব্লগে একজন নেগেটিভ রেটিং দিয়েছে। বেচারা আমার উপর রাগ করেছে, যদিও বিশেষ কারণ নাই রাগ করার। এধরণের রেটিংকে বলা যেতে পারে 'রেগেটিভ' রেটিং।
রাগ করে রেগেটিভ।
রেটিং সিস্টেমের একটু আধুনিকায়ন করা দরকার আসলে। বাংলা ফোরামগুলোতে অনেক কামড়া কামড়ি থাকে। দেখা যায় একজন আরেকজনকে দেখতে পারে না বলে শুধু শুধুই তার লেখার রেটিং কমিয়ে দেয়। এদের জন্য সিস্টেম হল হয় ফেসবুকের মত, শুধু 'আই লাইট ইট' আই ডু নট লাইক ইট বলে কিছু থাকবে না। অথবা এরকম থাকবে যে তোমাকে দেখতে পারি না বলে "থাম্বস ডাউন" অথবা তোমার সারাজীবনের সব ব্লগে একবারে 'চিরন্তন মাইনাস'। অবশ্য বাঙালি চিরন্তন মাইনাস দিয়ে থামবে না। যার লেখার কোনকিছুই ভাল লাগবে না জানে, তার ব্লগেই গিয়ে গিয়ে মাইনাস দেবে। একই কাজ ফিরে ফিরে করা বাংলাদেশীদের জাতিগত স্বভাব। তারা বেল তলায় যায়, মাথা ফাটায়; আবার চুল গজায়, মাথা সারে,তারপর আবার নাপিতের কাছে গিয়ে চুল কাটিয়ে এসে আবার বেল তলায় দাঁড়ায়। এটা জাতিগত স্বভাব।
কী আজব!
আসলে লেখার তেমন কিছু নেই। এমনি একটু লেখার চেষ্টা। মাঝে মাঝে মনে হয়, এই যে এত ব্লগ লেখা। হাজার হাজার মানুষ ব্লগ লেখে। ব্লগ থেকে কখনো কি উৎকৃষ্ট সাহিত্য বের হয়?
মনে হয় না। উৎকৃষ্টর দিন শেষ। এখন হল মোবাইল যুগ (হাসিনার ভাষায় ডিজিটাল)। এখন সবকিছু হবে ইনস্ট্যান্ট নুডলসের মতন, আধা রেডি অবস্থায় কিনতে পাওয়া যাবে। পানি গরম করে ছেড়ে দিলেই হবে।
বৃষ্টি হচ্ছে ঝির ঝির করে। অথচ হাওয়া ঠান্ডা হয়নি। আমাদের বাসায় হাওয়া সহজে ঠান্ডা হয় না।
একটু ছবি আঁকতে ইচ্ছে হচ্ছে। কিন্তু হবে না। যা আঁকতে চাই তা আঁকতে পারি না। অত সুন্দর হয় না।
ওয়াটার কালারে ছবি আঁকতে মন চায় ইদানিং। কারণটা সম্ভবত এই যে পেন্সিল কালার কিনে এনেছি, সেই এক্সকিউজটা আর নেই যে 'আমার পেন্সিল রং নেই'। এজন্য এখন ওয়াটার কালারে আঁকার ইচ্ছা হচ্ছে। ওয়াটার কালার কিনলে হয়ত ক্রেয়ন ইউজ করতে মন চাইবে অথবা অয়েল পেইন্টিং করার সাধ জাগবে।
আমার মনের ইচ্ছাগুলোও দেখি পিছলা টাইপের হয়ে গেছে। একটা পেলে আরেকটা পেতে মন চায়। সেটা পেলে মনে হয় আরেকটা বেটার।
বেটারের তো শেষ নাই। বেস্ট বলেও কিছু নাই।
যাক আর কি লিখব। এটাই লিখতে চাচ্ছিলাম- ওয়াটার কালারে আঁকতে মন চাচ্ছে।
....................................
ব্লগস্পটে পোস্ট করার জন্য বাংলা ব্লগে টাইপ করছি। অভ্রর টাইপিংটা আমার ভালো লাগে না। কি যে এক বিপদ, বিজয়ের সিস্টেমটার সাথে আমাদের হাতে লেখার অভ্যাসটার সাযুজ্য আছে। এ-কারটা আগে দিয়ে পরে বর্ণটা দিতে হবে। কিন্তু অভ্রতে 'কার'টা পরে দিতে হয়। এই সমস্যাটা ভালো না। কিছু একটা সমাধান দরকার এটার। আমাদের কী-বোর্ড লে আউট জিনিয়াসরা অভ্র আর বিজয়কে একীভূত করতে পারেন না? করলে ভালো হত।
আসলে কিছু লেখার নাই। আমার একটা ব্লগে একজন নেগেটিভ রেটিং দিয়েছে। বেচারা আমার উপর রাগ করেছে, যদিও বিশেষ কারণ নাই রাগ করার। এধরণের রেটিংকে বলা যেতে পারে 'রেগেটিভ' রেটিং।
রাগ করে রেগেটিভ।
রেটিং সিস্টেমের একটু আধুনিকায়ন করা দরকার আসলে। বাংলা ফোরামগুলোতে অনেক কামড়া কামড়ি থাকে। দেখা যায় একজন আরেকজনকে দেখতে পারে না বলে শুধু শুধুই তার লেখার রেটিং কমিয়ে দেয়। এদের জন্য সিস্টেম হল হয় ফেসবুকের মত, শুধু 'আই লাইট ইট' আই ডু নট লাইক ইট বলে কিছু থাকবে না। অথবা এরকম থাকবে যে তোমাকে দেখতে পারি না বলে "থাম্বস ডাউন" অথবা তোমার সারাজীবনের সব ব্লগে একবারে 'চিরন্তন মাইনাস'। অবশ্য বাঙালি চিরন্তন মাইনাস দিয়ে থামবে না। যার লেখার কোনকিছুই ভাল লাগবে না জানে, তার ব্লগেই গিয়ে গিয়ে মাইনাস দেবে। একই কাজ ফিরে ফিরে করা বাংলাদেশীদের জাতিগত স্বভাব। তারা বেল তলায় যায়, মাথা ফাটায়; আবার চুল গজায়, মাথা সারে,তারপর আবার নাপিতের কাছে গিয়ে চুল কাটিয়ে এসে আবার বেল তলায় দাঁড়ায়। এটা জাতিগত স্বভাব।
কী আজব!
আসলে লেখার তেমন কিছু নেই। এমনি একটু লেখার চেষ্টা। মাঝে মাঝে মনে হয়, এই যে এত ব্লগ লেখা। হাজার হাজার মানুষ ব্লগ লেখে। ব্লগ থেকে কখনো কি উৎকৃষ্ট সাহিত্য বের হয়?
মনে হয় না। উৎকৃষ্টর দিন শেষ। এখন হল মোবাইল যুগ (হাসিনার ভাষায় ডিজিটাল)। এখন সবকিছু হবে ইনস্ট্যান্ট নুডলসের মতন, আধা রেডি অবস্থায় কিনতে পাওয়া যাবে। পানি গরম করে ছেড়ে দিলেই হবে।
বৃষ্টি হচ্ছে ঝির ঝির করে। অথচ হাওয়া ঠান্ডা হয়নি। আমাদের বাসায় হাওয়া সহজে ঠান্ডা হয় না।
একটু ছবি আঁকতে ইচ্ছে হচ্ছে। কিন্তু হবে না। যা আঁকতে চাই তা আঁকতে পারি না। অত সুন্দর হয় না।
ওয়াটার কালারে ছবি আঁকতে মন চায় ইদানিং। কারণটা সম্ভবত এই যে পেন্সিল কালার কিনে এনেছি, সেই এক্সকিউজটা আর নেই যে 'আমার পেন্সিল রং নেই'। এজন্য এখন ওয়াটার কালারে আঁকার ইচ্ছা হচ্ছে। ওয়াটার কালার কিনলে হয়ত ক্রেয়ন ইউজ করতে মন চাইবে অথবা অয়েল পেইন্টিং করার সাধ জাগবে।
আমার মনের ইচ্ছাগুলোও দেখি পিছলা টাইপের হয়ে গেছে। একটা পেলে আরেকটা পেতে মন চায়। সেটা পেলে মনে হয় আরেকটা বেটার।
বেটারের তো শেষ নাই। বেস্ট বলেও কিছু নাই।
যাক আর কি লিখব। এটাই লিখতে চাচ্ছিলাম- ওয়াটার কালারে আঁকতে মন চাচ্ছে।
Wednesday, August 18, 2010
Time Bad-Spent!
I wanted to write in Bangla, but typing with Avro annoys me (not that I have anything against Avro, I simply don't like to add "a-kar"s and "e-kar"s after the letters instead of before them). I just tried to adjust my blogger Design to my satisfaction, but it seems there are problems that I can't possibly solve with my 'extensive techno-knowledge'! so, I sort of gave up and secretly been waiting for my younger brother to get up and help me out (let's keep it secret!). Although I successfully added gadgets on my blog (which sort of amazed me and supplied an amount of self-satisfaction which is quite hard even for me to digest!) and really admired the way it looked after the new 'page-do', I couldn't fix one problem yet. I'm not going to make this post lengthier by trying and failing to describe that problem. I guess after my enormous success with the gadget adding, it will be easy to solve that one.
Subscribe to:
Posts (Atom)

